spot_img
More
    Homeখেলাধুলাবাংলাদেশ কিশোরী ফুটবল টিমের অভাবনীয় সাফল্য

    বাংলাদেশ কিশোরী ফুটবল টিমের অভাবনীয় সাফল্য

    আমাদের সাফল্যরে কোন কিছু লিখতে গেলেই বার বার আপনাআপনিই ৭ মার্চে বলা বঙ্গবন্ধুর কিছু কথা ঘুরে ফিরে আসে।তিনি বলেছিলেন আমাদের কেউ দাবায় রাখতে পারবে না।সত্যিইতো আমাদেরকে দাবিয়ে রাখা যাচ্ছেনা।আমরা ক্রমাগত ভাবে সাফল্যের এক একটি সিড়ি পেরিয়ে যাচ্ছি। মুসা ইব্রাহীম নিশাত মজুমদারেরা সেভেনসামিট জয়ে ক্রমাগত এগিয়েছে,এভারেষ্ট জয় করেছে।বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার হয়েছে সাকিব আল হাসান। মুস্তাফিজের কাটারে কুপোকাত গোটা বিশ্বের বাঘা বাঘা সব ব্যাটসম্যান। বড়দের এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ক্রমাগত ভাবে আমাদের কিশোরী ফুটবলারেরা উন্নতির শীর্ষে উঠে যাচ্ছে যা বিগত কিছুদিনের খেলার পরিসংখ্যন দেখলেই অনুধাবন করা যাবে।

    জয়ের আনন্দে পতাকা মিছিল

    পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ কিশোরী ফুটবল দল। হংকংয়ে চার জাতি জকি ক্লাব নারী ফুটবলে উড়ন্ত সূচনা করেছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ১০-১ গোলে হারিয়েছে তারা।

    দলের হয়ে জোড়া গোল করেছে তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার ও আনাই মগিনি। একটি করে গোল করেছে  সাজেদা খাতুন, আনুচিং মগিনি, নিলুফা ইয়াসমিন ও শামসুন্নাহার (জুনিয়র)।

    ম্যাচের শুরু থেকেই মালয়েশিয়াকে চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। ১৩ মিনিটে গোলের খাতা খোলে সাজেদা। এরপর ফরোয়ার্ড তহুরার ঝলক। ১৮ ও ২০ মিনিটে জোড়া গোল করে কলসিন্দুরের এ মেয়ে। মিনিট দুয়েক পর ব্যবধান ৪-০ করে আনুচিং মগিনি।

    গোল এক হালি হওয়ার পরও থামেনি লাল-সবুজ জার্সিধারীদের দাপট। ২৪ মিনিটে ব্যবধান ৫-০ করেন আনাই। এদিন গোলের নেশায় মত্ত ছিল মেয়েরা। ৩৮ মিনিটে আরেক গোল করে শামসুন্নাহার (জুনিয়র)।

    ৬-০ ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। ফিরে আরও এক হালি দেয় সফরকারীরা। ৫৩ মিনিটে নিজের জোড়া গোলে ব্যবধান ৮-১ করে শামসুন্নাহার। ৬৬ মিনিটে জোড়া গোল পূর্ণ করে ব্যবধান ৯-১ করে আনাই। ৭০তম মিনিটে শেষ গোলটি করে নিলুফা ইয়াসমিন।

    এ অর্ধে চার গোল দিলেও একটি হজম করে বাংলাদেশ। ৫৩ মিনিটে একমাত্র গোলটি হজম করে তহুরারা।

    গোল করার আনন্দে মেতেছে ওরা

    গত ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৫ সাফ ফুটবলে ভারতকে হারিয়ে এ মেয়েরাই হয় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন। সুতরাং আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের এই কিশোরী বন্ধুরা অবিরত ভাবে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে এগিয়ে যাচ্ছে এবং দেশের সম্মান বৃদ্ধি করে চলেছে। তাদের ক্ষুরধার পায়ের সাথে বলের ছোয়া লাগলেই যেন বা যাদুর পরশে গোলের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এই স্বর্ণকিশোরী বন্ধুদের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। জানি এরাই আমাদের দেশকে আরো উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

    RELATED ARTICLES

    15 COMMENTS

    Comments are closed.

    Most Popular