শিশুর ঠাণ্ডা-কাশি যেভাবে মোকাবিলা করবেন

0
86
শিশুদের যত্ন

শীত জেঁকে বসেছে। এ সময় শিশুর সর্দি, কাশি, জ্বরের মতো সাধারণ কিন্তু বিরক্তিকর অসুখ বেশি হয়। আক্রান্ত হলে দুই-তিন দিন নাক বন্ধ থাকে, নাক দিয়ে পানি ঝরে, গলা ব্যথা ও খুসখুস করে, শুকনো কাশি থাকে, জ্বরও থাকতে পারে। এগুলো বেশিরভাগই ভাইরাসজনিত। লক্ষণভিত্তিক কিছু চিকিৎসা অনেক সময় আরামদায়ক হয়। তবে শিশুর শুকনো কাশি কিছুদিন বেশি ভোগাতে পারে। তাই সতর্ক হোন।

এ ঠাণ্ডা-কাশি ছোঁয়াচে। যার হয়, তার উচিত অন্যদের সামনে হাঁচি-কাশি না দেওয়া। দিতে হলে রুমাল ব্যবহার করুন বা করতে বলুন। বাইরে বের হলে মুখে মাস্ক পরুন। ধুলাবালি ও ঠাণ্ডা থেকে দূরে থাকুন।

শীতে অনেকে স্নান করেন না ঠাণ্ডা লাগার ভয়ে। এটা ঠিক নয়। শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। ধুলাবালি ও ভাইরাস থেকে দূরে থাকবে। সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমে যাবে। নিয়মিত স্নান করাবেন। আরামদায়ক শীতের পোশাক, বিশেষ করে টুপি ও মোজা পরাবেন। জুতা পরিয়ে রাখুন, খালি পায়ে ফ্লোর বা মাটিতে হাঁটাবেন না। ঠাণ্ডা লাগতে পারে। রেফ্রিজারেটরের ঠাণ্ডা খাবার ও আইসক্রিম না খাওয়ানো ভালো। খাওয়ার আগে ভালো করে হাত ধুয়ে দিন। ভিটামিন ‘সি’যুক্ত ফলমূল ও শাকসবজি বেশি করে খেতে দিন। ঠাণ্ডা লাগবে বা ঠাণ্ডা বেড়ে যাবে ভেবে অনেকে শিশুকে কলা খেতে দিতে চান না। কলা নন-অ্যাসিডিক, লো গ্লাইসেমিক খাবার। তা গলা খুসখুস ও ঠাণ্ডা-সর্দি ভাব কমায়।

সাধারণ ঠাণ্ডা, সর্দি ও কাশিতে আপনার শিশুকে বেশি করে বুকের দুধ খাওয়ান। অন্যান্য খাবার অব্যাহত রাখুন। মধু, তুলসী পাতার রস, আদা চা, লেবুর শরবত বা চা, হালকা গরম পানি অল্প করে খাওয়ান। হাত-পায়ে সরিষার তেল আর রসুন মালিশ করলে কিছুটা আরাম পেতে পারে। কিন্তু নাক বন্ধ হলে অনেকে নাকের ফুটায় সরিষার তেল লাগান। এটি ঠিক নয়। ঠাণ্ডার সময় স্বভাবতই পানি খাওয়ার পরিমাণ অনেক কমে যায়। এতে পানিশূন্যতা হয়ে গলা শুকিয়ে যায় এবং কাশি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই শিশুকে সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করান। ডিমের সাদা অংশ, গাজর, চিকেন স্যুপও ঠাণ্ডায় ভালো কাজ করে। শিশুর নাক পরিষ্কার রাখুন। এতে তার নিঃশ্বাস নিতে সুবিধা হবে এবং খাওয়া বাড়বে। নাক পরিষ্কারের জন্য নরমাল স্যালাইন (লবণ পানি, খাবার স্যালাইন অথবা বাজারে প্রাপ্ত স্যালাইন ড্রপ) ব্যবহার করুন। একটু বড় শিশুরা সর্দি, গলা ব্যথা বা শুকনো কাশির জন্য লবণ-পানি গড়গড়া করতে পারবে। ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হয়ে গেলে গরম পানিতে ম্যানথল মিশিয়ে ওই পানি ভাপ নাক-মুখ দিয়ে টানলে বন্ধ নাক দ্রুতই খুলে যাবে। অক্সিমেটাজোলিন বা জাইলোমেটাজলিন নাকের ড্রপও ব্যবহার করতে পারবে। তবে সাধারণ ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশিতে শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ খাওয়াবেন না। কাশি হলেই কাশির ওষুধ খাওয়াবেন না। মনে রাখবেন, রোগ সাধারণ হোক বা মারাত্মকÑ যে কোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়াবেন, নিজের ইচ্ছামতো কিংবা অন্য কারও পরামর্শে নয়।

খেয়াল রাখুন, শিশু ক্রমেই বেশি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে কিনা। নেতিয়ে পড়ছে, হাসে না, খেলে না, তাকায় না, জ্বর আসছে কিনা, খেতে পারছে না, শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে অথবা বেশি ঘন শ্বাস নিচ্ছে, শ্বাস নিতে বুকের নিচের দিকটা দেবে যায়, বুকে সাঁই সাঁই বা চিঁ চিঁ শব্দ কিংবা কাশি দীর্ঘস্থায়ী কিনা (২ সপ্তাহ বা এর বেশি)Ñ এসবের একটি হলেই ডাক্তারের পরামর্শ দ্রুত নিন। কারণ এগুলো বিপদচিহ্ন! এ রকম হলে অনেক সময় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া লাগে। নেবুলাইজার দিতে হতে পারে। এক্স-রে বা অন্য পরীক্ষাও করা লাগতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ভাইরাসের পর পরই ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে। কাশির সঙ্গে হলুদ বা সবুজ রঙের কফ, সঙ্গে বেশি জ্বর থাকলে ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্তের আশঙ্কা বেশি। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হতে পারে। তাই সাবধান থাকুন।

লেখক : নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

সহযোগী অধ্যাপক, শিশু ও নবজাতক বিভাগ

বারডেম জেনারেল হাসপাতাল-২ (মহিলা ও শিশু হাসপাতাল), সেগুনবাগিচা, ঢাকা। ০১৬৩৬৬৯২২৯৮

সর্দি-কাশি একটি সাধারণ ঘটনা, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে, যারা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এখনও বিকশিত না হওয়ার কারণে বেশি সংবেদনশীল। বাচ্চাদের সর্দি-কাশি মোকাবেলা করা বাবা-মায়ের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, তবে লক্ষণগুলি কীভাবে পরিচালনা করবেন তা বোঝা শিশু এবং যত্নশীল উভয়ের জন্যই এই অভিজ্ঞতাকে আরও সহনীয় করে তুলতে পারে। এই নির্দেশিকায়, আমরা শিশুদের সর্দি-কাশি উপসর্গগুলি উপশমের জন্য কার্যকর কৌশলগুলি অন্বেষণ করব, ঘরোয়া প্রতিকার থেকে শুরু করে চিকিৎসা হস্তক্ষেপ পর্যন্ত।

সাধারণ সর্দি বোঝা:

ব্যবস্থাপনা কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত জানার আগে, সাধারণ সর্দি-কাশি কী কারণে হয় তা বোঝা জরুরি। সর্দি-কাশি মূলত রাইনোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট ভাইরাল সংক্রমণ, যদিও অ্যাডেনোভাইরাস এবং করোনাভাইরাসের মতো অন্যান্য ভাইরাসও এতে অবদান রাখতে পারে। এই ভাইরাসগুলি অত্যন্ত সংক্রামক এবং সংক্রামিত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের ফোঁটার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শিশুরা ডে-কেয়ার সেটিংস, স্কুল এবং অন্যান্য জনাকীর্ণ পরিবেশে ঘন ঘন সংস্পর্শে আসার কারণে বিশেষ করে সর্দি-কাশি হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

শিশুদের ঠান্ডা লাগার সাধারণ লক্ষণ:

সর্দি বা নাক বন্ধ: শিশুদের নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে অথবা নাক থেকে স্বচ্ছ শ্লেষ্মা নির্গত হতে পারে।

কাশি: ঠান্ডা লাগার সাথে শুষ্ক বা ভেজা কাশি সাধারণত হয়। এটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, বিশেষ করে রাতে।

হাঁচিও যে: নাক বন্ধ হওয়া বা জ্বালাপোড়ার কারণে শিশুরা ঘন ঘন হাঁচি দিতে পারে।

গলা ব্যথা: গলা জ্বালা এবং অস্বস্তি ঠান্ডা লাগার সাধারণ লক্ষণ, যা গিলতে বা কথা বলতে অসুবিধার কারণ হতে পারে।

সল্প জ্বর: শিশুদের সামান্য জ্বর হতে পারে, সাধারণত ১০০.৪° ফারেনহাইট (৩৮° সেলসিয়াস) এর নিচে, যদিও কারো কারো জ্বর বেশি হতে পারে।

অবসাদ: শিশুরা ক্লান্ত বা অলস বোধ করতে পারে, বিশেষ করে যদি কাশি বা নাক বন্ধ থাকার কারণে তাদের ঘুমের সমস্যা হয়।

মাথা ব্যাথা: কিছু শিশু মাথাব্যথার অভিযোগ করতে পারে, বিশেষ করে যদি তাদের সাইনাস কনজেশন থাকে।

ক্ষুধা হ্রাস: ঠান্ডা লাগার লক্ষণগুলি শিশুর খাওয়ার ইচ্ছাকে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে ক্ষুধা কমে যায়।

হালকা শরীরে ব্যথা: পেশী ব্যথা এবং ব্যথা সম্ভব, তবে ফ্লুর লক্ষণগুলির তুলনায় এগুলি সাধারণত হালকা হয়।

খিটখিটেভাব: ঠান্ডা লাগার লক্ষণগুলির কারণে অস্বস্তির কারণে ছোট বাচ্চারা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অস্থির হতে পারে।

সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য, একজনের পরামর্শ নিন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সঠিক মূল্যায়ন এবং ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাড়িতে ঠান্ডা লাগার লক্ষণগুলি পরিচালনা করা:

যদিও সাধারণ সর্দি-কাশির কোনও প্রতিকার নেই, বেশ কিছু ঘরোয়া প্রতিকার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন লক্ষণগুলি উপশম করতে এবং আপনার সন্তানের পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে:

বিশ্রামে উৎসাহিত করুন: আপনার শিশু যাতে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে এবং নিরাময়ের জন্য শক্তি সঞ্চয় করতে পারে তার জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করুন।

জলয়োজন: আপনার শিশুকে প্রচুর পরিমাণে তরল যেমন জল, পরিষ্কার ঝোল, অথবা পাতলা ফলের রস দিয়ে ভালোভাবে হাইড্রেটেড রাখুন। তরল পদার্থ শ্লেষ্মা আলগা করতে এবং পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

humidifier: আপনার সন্তানের ঘরে বাতাসে আর্দ্রতা যোগ করার জন্য একটি শীতল-কুয়াশা হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন, যা গলা ব্যথা প্রশমিত করতে পারে এবং নাক বন্ধ হওয়া কমাতে পারে।

স্যালাইন অনুনাসিক ড্রপ: স্যালাইন নাকের ড্রপ বা স্প্রে শ্লেষ্মা আলগা করে এবং আপনার শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ করে নাক বন্ধ হওয়া দূর করতে সাহায্য করতে পারে। এগুলি সব বয়সের শিশুদের জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর।

স্টিম ইনহেলেশন: নাক বন্ধ হওয়া কমানোর আরেকটি উপায় হল আপনার শিশুকে বাষ্প নিঃশ্বাসের সাথে নিতে দেওয়া। আপনি গরম জলে গোসল করে এবং বাষ্পীভূত বাথরুমে আপনার সন্তানের সাথে কয়েক মিনিট বসে একটি বাষ্পীভবন তৈরি করতে পারেন।

মাথা উঁচু করুন: ঘুমানোর সময় অতিরিক্ত বালিশ দিয়ে মাথা উঁচু করে রাখলে নাক বন্ধ হওয়া কমতে পারে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস ভালো হতে পারে।

কখন মেডিকেল এটেনশন চাইতে হবে:

যদিও বেশিরভাগ সর্দি-কাশি এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়, কিছু লক্ষণের জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন:

মাত্রাতিরিক্ত জ্বর: তিন মাসের কম বয়সী শিশুদের ১০০.৪°F (৩৮°C) এর বেশি জ্বর অথবা বড় শিশুদের ১০২°F (৩৮.৯°C) এর বেশি জ্বর হলে তা আরও গুরুতর সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে যার জন্য চিকিৎসা মূল্যায়ন প্রয়োজন।

শ্বাসকষ্ট: Iযদি আপনার শিশু শ্বাস নিতে কষ্ট করে, শ্বাসকষ্ট হয়, অথবা শ্বাসকষ্টের লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন।

কানের ব্যথা: কানে ব্যথার সাথে জ্বর বা কান থেকে পানি বের হওয়া কানের সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে, যার জন্য দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন।

অবিরাম উপসর্গ: যদি আপনার সন্তানের লক্ষণগুলি এক সপ্তাহ পরেও অব্যাহত থাকে বা খারাপ হয়, তাহলে আরও মূল্যায়নের জন্য তাদের শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

প্রতিরোধ টিপস:

যদিও ঠান্ডা লাগা সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সবসময় সম্ভব নয়, তবুও আপনি এই টিপসগুলি অনুসরণ করে আপনার সন্তানের ঝুঁকি কমাতে পারেন:

ভালো হাতের স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলন করুন: সাবান ও জল দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোয়ার জন্য উৎসাহিত করুন, বিশেষ করে খাওয়ার আগে এবং কাশি, হাঁচি বা নাক ঝাড়ানোর পরে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের শিষ্টাচার শেখান: জীবাণুর বিস্তার রোধ করার জন্য আপনার শিশুকে কাশি বা হাঁচি দেওয়ার সময় টিস্যু বা কনুই দিয়ে মুখ এবং নাক ঢাকতে শেখান।

একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখুন: আপনার শিশু যাতে সুষম খাদ্য গ্রহণ করে, প্রচুর ঘুম পায় এবং তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপে নিয়োজিত থাকে তা নিশ্চিত করুন।

টিকা সম্পর্কে হালনাগাদ থাকুন: আপনার সন্তানের টিকা হালনাগাদ রাখুন, যার মধ্যে বার্ষিক ফ্লু টিকাও অন্তর্ভুক্ত, যা নির্দিষ্ট শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।

শিশুদের ঠান্ডা লাগার লক্ষণগুলি পরিচালনা করার জন্য ধৈর্য, ​​সতর্কতা এবং প্রয়োজনে ঘরোয়া প্রতিকার এবং চিকিৎসার সমন্বয় প্রয়োজন। আরাম, জলয়োজন এবং বিশ্রাম প্রদানের মাধ্যমে, আপনি আপনার শিশুকে ঠান্ডা লাগার অস্বস্তি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারেন এবং জটিলতার লক্ষণগুলি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। যদি আপনার কোনও উদ্বেগ থাকে বা লক্ষণগুলি অব্যাহত থাকে বা আরও খারাপ হয় তবে আপনার শিশুর শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না। সঠিক যত্ন এবং মনোযোগের মাধ্যমে, বেশিরভাগ শিশু এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে ঠান্ডা লাগা থেকে সেরে উঠবে এবং তাদের প্রাণবন্ত স্বভাবে ফিরে আসবে।

আরও পড়ুন: শীতে শিশুর যত অসুখ বিসুখ