11.8 C
New York
Tuesday, September 22, 2020

Buy now

মেয়ের আবদার রাখতে বাবা আজ আইসক্রিমওয়ালা

ছুটির দিন, সপ্তাহের এই দিনটি তে রাত্রের ভোজ শেষে বাবা-মেয়ের মধ্যে গপ্লের আসর জমে। রাত্রি প্রায় ১২টা, বারান্দায় বসে পূর্ণিমার চন্দ্র আলোতে গল্প করছিলো রুপকথা ও তার পিতার। পিতা ভালোবেসে কন্যাকে কথা নামে ডাকে। এমনই সময় কথা’র আইসক্রিম খাবার ইচ্ছে হলো। ফ্রিজে আইসক্রিম নেই, এতো রাত্রে দোকান ও বন্ধ। কিন্তু মেয়ের আবদার বাবা কি না রেখে পারে। তাই পাঁচ মিনিটে নিজ হাতে আইসক্রিম তৈরি করে চমক দেয় কথা’কে। কি দারুণ ব্যাপার, ঘরে বসেই আইসক্রিম বানানো সম্ভব।

তোমার নিশ্চয়ই এখন কথা’র মতো আইসক্রিম খাবার ইচ্ছে হলো,তাই না? কিভাবে কথা ও তার বাবা আইসক্রিম তৈরি করেছে তার প্রক্রিয়া আজ তোমাদের সাথে শেয়ার করছি।

উপকরণঃ

১. দুধ
২. চিনি
৩.লবণ
৪. চা চামচ
৫. বরফ
৬. ছোট জিপারযুক্ত পলিথিন ব্যাগ
৭. বড় জিপারযুক্ত পলিথিন ব্যাগ
৮. লিকুইড চকলেট অথবা ভ্যানিলা
৯.একটি পাত্র
১০. পানি

প্রক্রিয়াঃ

প্রথমে একটি পাত্রে ২৫০ মি.লি. পানি নিয়ে গুড়ো দুধের পাউডার মিশিয়ে লিকুইড দুধ তৈরি কর। গুড়ো দুধ না থাকলে সাধারণ দুধ ব্যবহার করতে পারো। ছোট জিপার যুক্ত পলি ব্যাগে ২৫০ মি.লি. দুধ নিয়ে তাতে ৩ চা চামচ চিনি মিশিয়ে নাও। এরপর তোমার পছন্দের ফ্লেভারের আইসক্রিমের জন্য তুমি লিকুইড চকোলেট অথবা ভ্যানিলা দিবে। চকলেট আইসক্রিমের জন্য ১.৫ কাপ লিকুইড চকলেট আর ভ্যানিলা আইসক্রিমের জন্য ০.৫ কাপ পরিমাণ ভ্যানিলা চামচ দিয়ে ভালো ভাবে নাড়িয়ে নিতে হবে। এবার, জিপারটি ভালো ভাবে বন্ধ করে দিতে হবে।

এখন ছোট জিপার পলিব্যাগে আইসক্রিমকে ঠান্ডা করতে হবে। তাই এই পলিব্যাগ টিকে বড় জিপারযুক্ত পলিব্যাগের মধ্যে রেখে চারিদিকে বরফ দিয়ে বড় পলি ব্যাগটি পূর্ণ কর। এখন বরফের উপর কিছুটা লবণ ছিটিয়ে জিপার টি বন্ধ করে দেয়া হোক। এখন মিনিট পাঁচেক পলিব্যাগ টিকে নাড়াতে হবে৷

আরো পড়তে পারেন:

পাঁচ মিনিট পর বড় জিপারযুক্ত পলিব্যাগের মধ্য থেকে ছোট জিপার পলিব্যাগটি বের করলেই দেখা যাবে তোমার পছন্দের আইসক্রিম। তবে ছোট পলি ব্যাগটি থেকে আইসক্রিম বের করার আগে ব্যাগটি ভালো ভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। কারণ বড় ব্যাগে বরফে যে লবণ ব্যাবহার করা হয়েছে তা আইসক্রিমের ব্যাগে লেগে আছে তাই আইসক্রিম কিছুটা নোনতা হতে পারে।

তুমি ভাবছো লবণ না দিলেও হবে। তাহলে তুমি ভুল। কারণ,লবণ দেওয়ার কারণে বরফ অতিরিক্ত ঠান্ডা হবে, যার কারনে আইসক্রিম আরো ভালো হবে। এভাবে তুমি চাইলে বাসায় বসে আইসক্রিম বানিয়ে চমকে দিতে পারো সবাইকে । নিজের তৈরি আইসক্রিম খেতে নিশ্চয়ই ভালো লাগবে তোমার। তোমার আইসক্রিম টি কতো ভালো স্বাদযুক্ত হয়েছে তা আমাদের জানাতে ভুলবে না।

Related Articles

শিক্ষা দুঃখ ও আশার মধ্যে সেতু বন্ধন স্বরূপ

শিক্ষার শুরু স্বাক্ষরতা দিয়ে অর্থাৎ সাক্ষরতা বলতে সাধারণত অক্ষর জ্ঞানসম্পন্নতাকেই বোঝায়।  সাক্ষরতা হচ্ছে পড়া, অনুধাবন করা, মৌখিকভাবে এবং লেখার বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা করা,...

সাইন্স বী: চলো ভিন্নরূপে বিজ্ঞান শিখি

আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান একটি ভীতির বিষয়। পুঁথিগত পাঠ্যবই এ গৎবাঁধা সিলেবাস এই ভীতির জন্য দায়ী, বললে ভুল হবে না। কিন্তু বিজ্ঞান কি শুধু পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ। না! বিজ্ঞান এর পরিধি কেউ বেষ্টনী দিয়ে আঁটকে রাখতে পারে না।

অদ্বিতীয়া রাজকন্যা সিমরিন লুবাবা

রুপকথার গল্পে তোমরা অনেকেই রাজকন্যা,রাজপুত্রর গল্প শুনে থাকবে। সেই রাজকন্যা আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু তোমাদেরকে আজকে আমরা এক সত্যিকারের রাজকন্যার কথা...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

20,705FansLike
2,368FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

শিক্ষা দুঃখ ও আশার মধ্যে সেতু বন্ধন স্বরূপ

শিক্ষার শুরু স্বাক্ষরতা দিয়ে অর্থাৎ সাক্ষরতা বলতে সাধারণত অক্ষর জ্ঞানসম্পন্নতাকেই বোঝায়।  সাক্ষরতা হচ্ছে পড়া, অনুধাবন করা, মৌখিকভাবে এবং লেখার বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা করা,...

সাইন্স বী: চলো ভিন্নরূপে বিজ্ঞান শিখি

আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান একটি ভীতির বিষয়। পুঁথিগত পাঠ্যবই এ গৎবাঁধা সিলেবাস এই ভীতির জন্য দায়ী, বললে ভুল হবে না। কিন্তু বিজ্ঞান কি শুধু পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ। না! বিজ্ঞান এর পরিধি কেউ বেষ্টনী দিয়ে আঁটকে রাখতে পারে না।

অদ্বিতীয়া রাজকন্যা সিমরিন লুবাবা

রুপকথার গল্পে তোমরা অনেকেই রাজকন্যা,রাজপুত্রর গল্প শুনে থাকবে। সেই রাজকন্যা আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু তোমাদেরকে আজকে আমরা এক সত্যিকারের রাজকন্যার কথা...

বোকা মানুষ ও পৃথিবী

দুটি অদ্ভুত প্রাণী মহাশূন্যে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে।দেখতেও বেশ ভয়ংকরই।ওরা তো পৃথিবীর কেউ নয়।নিশ্চই মহাশূন্যে আমাদের কল্পনার চেয়েও মিলিয়ন,বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে ওরা এসেছে।শরীরে তাকালে প্রায় ...

শিশুতোষ চলচ্চিত্রঃ ফাইন্ডিং ডোরি

ডরি,একটি ছোট্ট সুন্দরী নীল মৎস্য। যার কি না ভুলে যাওয়া ব্যামো আছে। কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না। তাই তার পিতা-মাতা অনেক চিন্তিত তার এই রোগ নিয়ে। একসময় ডরি হারিয়ে যায় তার পিতা-মাতা থেকে।