25.8 C
New York
Monday, September 28, 2020

Buy now

বিশাল একদিন নামের মতই বড় হবে

পুরো নাম নির্ঝর বিশাল,পড়ে পঞ্চম শ্রেণিতে,বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ পাবলিক স্কুলে। ছোটবেলা থেকেই নাচের খুব সখ। বাবা প্রায়ই বলে বিশালের বয়স যখন দুই বছর তখন একুশে ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠানে ও ষ্টেজে উঠার জন্য খুব কান্নাকাটি করে পরে বাবা স্টেজে তুলে দেয় আর ছোট্ট বিশাল নাচতে শুরু করে।সবাই ওর নাচ খুব উপভোগ করে, যদি ও তখন ও নাচের কিছুই বুঝতো না।পরে বাবা মা ওকে নাচে ভর্তি করে দেয়। বিশালের প্রথম নাচের শিক্ষক শফিক স্যার।শফিক স্যারের কাছেই নাচ শেখা শুরু করে।এর পর স্কুলে ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচ করে। স্কুলে নাচ করার সময় অনেক আনন্দ পায় পুরু অডিটোরিয়াম থেকে দারুন সাড়া পায় কারন বিশালই এক মাত্র ছেলে,যে ওদের স্কুলে নাচ করে।
নির্ঝর বিশাল

চলো এবার বিশালের মুখ থেকেই শুনি ওর কথাঃ

আমার বয়স যখন তিন বছর তখন দূর্গাপুজাতে কলাবাগান মাঠে স্টেজে ব্যান্ড এর বিপ্লব আঙ্কেলর গানের লাইভ টিভি প্রচারিত হওয়ার সময় আমি স্টেজে উঠার জন্য বায়না ধরি। পরে বাবা তুলে দেয় কিন্তু একটা লোক আমাকে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেয় বাবা যে পাশে ছিল তার উল্টো পাশে,এত লোকের ভীড়ে আমি খুব ভয় পেয়ে কান্না শুরু করি। পরে বাবা আমাকে খুঁজে পায়। পরে অন্য আরেক জন আমার কান্না দেখে আবার স্টেজে তুলে দেয় এবং বিপ্লর আঙ্কলের সাথে নাচ করি। এ ভাবে অনেক ঘটনার কথা বাবা প্রায় বলে।

জন্ম ৮ ই অক্টোবর ২০০৮ ইং।বাবার নাম- বিক্রম পাল মায়ের নাম- নীলা পাল। প্রিন্স বাই সাইকেল এর বিজ্ঞাপন দিয়ে শুরু তার পর কোকোলা ওয়েফার রোল,বাংলা লিংক, নসিলা,কোকোলা নসিলা স্টিক,কোকোলা টি টাইম বিস্কুট, কোকোলা চকোস্টিক,কোকোলা কাপ চকোলেট,কোকোলা চকো স্টিক,শিশু শ্রম নিরসনের উপর ডকুমেন্টারি, শর্ট ফিল্ম, ধারাবাহিক নাটক-জ্বীন মামা।কিছু ফটোশুট করেছি, বাংলা টিভি তে ছোটদের অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করি।আমরা দুইভাই। আমি বড় আর আমার ছোট ভাই এর বয়স ২ বছর।শিশু একাডেমীতে নৃত্য ও নাট্যকলার ২য় বর্ষের ছাত্র। আমি বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছে।

জ্বীন মামা নাটকের একটি দৃশ্যে

আমি কেজি তে পড়ার সময় পায়েলা বৈশাখে নাচ করতে চেয়েছিলাম কিন্তু মিস আমাকে নাচ করতে দেয় নি।পরে স্কুল থেকে নাচে প্রথম হয়ে উপজেলা ও জে্লা পর্যায়ে অংশ গ্রহন করে তৃতীয় হই।। প্রিন্স বাই সাইকেল বিজ্ঞাপনে কাজ করার পূর্বে আমি তিন চাকার সাইকেল চালাতে পারতাম কিন্তু দুই চাকার সাইকেল চালাতে পারতাম না। কিন্তু আমাকে যে দূই চাকার সাইকেল চালাতে হবে, শুটিং এর আগের দিন বাবা বিকেল বেলা নিউ মার্কেট থেকে সাইকেল এনেদেয়। আমি গ্যারাজে সাইকেল চালাতে গিয়ে পড়ে অনেক ব্যথা পাই। এতোটাই ব্যথা পয়েছি দাড়াতে পারছিলাম না। তার পর ও হাল ছাড়িনি, শিখে রাত আট টায় গাড়ি আসলে পূবাইলের উদ্দেশে রওনা হই।

ছোটদেরবন্ধুhttps://www.chotoderbondhu.com
সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখতে দেখতে জীবনের এক একটি দিন পার করা।সেই ধারাবাহিকতায় ছোটদেরবন্ধু গড়ে উঠছে তিল তিল করে।

Related Articles

শিক্ষা দুঃখ ও আশার মধ্যে সেতু বন্ধন স্বরূপ

শিক্ষার শুরু স্বাক্ষরতা দিয়ে অর্থাৎ সাক্ষরতা বলতে সাধারণত অক্ষর জ্ঞানসম্পন্নতাকেই বোঝায়।  সাক্ষরতা হচ্ছে পড়া, অনুধাবন করা, মৌখিকভাবে এবং লেখার বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা করা,...

সাইন্স বী: চলো ভিন্নরূপে বিজ্ঞান শিখি

আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান একটি ভীতির বিষয়। পুঁথিগত পাঠ্যবই এ গৎবাঁধা সিলেবাস এই ভীতির জন্য দায়ী, বললে ভুল হবে না। কিন্তু বিজ্ঞান কি শুধু পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ। না! বিজ্ঞান এর পরিধি কেউ বেষ্টনী দিয়ে আঁটকে রাখতে পারে না।

অদ্বিতীয়া রাজকন্যা সিমরিন লুবাবা

রুপকথার গল্পে তোমরা অনেকেই রাজকন্যা,রাজপুত্রর গল্প শুনে থাকবে। সেই রাজকন্যা আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু তোমাদেরকে আজকে আমরা এক সত্যিকারের রাজকন্যার কথা...

Stay Connected

20,756FansLike
2,380FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

শিক্ষা দুঃখ ও আশার মধ্যে সেতু বন্ধন স্বরূপ

শিক্ষার শুরু স্বাক্ষরতা দিয়ে অর্থাৎ সাক্ষরতা বলতে সাধারণত অক্ষর জ্ঞানসম্পন্নতাকেই বোঝায়।  সাক্ষরতা হচ্ছে পড়া, অনুধাবন করা, মৌখিকভাবে এবং লেখার বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা করা,...

সাইন্স বী: চলো ভিন্নরূপে বিজ্ঞান শিখি

আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান একটি ভীতির বিষয়। পুঁথিগত পাঠ্যবই এ গৎবাঁধা সিলেবাস এই ভীতির জন্য দায়ী, বললে ভুল হবে না। কিন্তু বিজ্ঞান কি শুধু পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ। না! বিজ্ঞান এর পরিধি কেউ বেষ্টনী দিয়ে আঁটকে রাখতে পারে না।

অদ্বিতীয়া রাজকন্যা সিমরিন লুবাবা

রুপকথার গল্পে তোমরা অনেকেই রাজকন্যা,রাজপুত্রর গল্প শুনে থাকবে। সেই রাজকন্যা আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু তোমাদেরকে আজকে আমরা এক সত্যিকারের রাজকন্যার কথা...

বোকা মানুষ ও পৃথিবী

দুটি অদ্ভুত প্রাণী মহাশূন্যে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে।দেখতেও বেশ ভয়ংকরই।ওরা তো পৃথিবীর কেউ নয়।নিশ্চই মহাশূন্যে আমাদের কল্পনার চেয়েও মিলিয়ন,বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে ওরা এসেছে।শরীরে তাকালে প্রায় ...

শিশুতোষ চলচ্চিত্রঃ ফাইন্ডিং ডোরি

ডরি,একটি ছোট্ট সুন্দরী নীল মৎস্য। যার কি না ভুলে যাওয়া ব্যামো আছে। কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না। তাই তার পিতা-মাতা অনেক চিন্তিত তার এই রোগ নিয়ে। একসময় ডরি হারিয়ে যায় তার পিতা-মাতা থেকে।