13.6 C
New York
Sunday, September 20, 2020

Buy now

বিলগেটসের মা কি তাকে জোর করে গন্ডায় গন্ডায় হাউজ টিউটরের কাছে পড়াতেন নাকি নানা নামের কোচিং সেন্টারে পাঠাতেন?

Image result for bill gates childhood
বিলগেটস ও তার মা

সাফল্য কিভাবে আসে?সাফল্যের জন্য কি কি করতে হয়?কতটুকু চেষ্টা করা উচিত?কখন হাল ছেড়ে দিতে হয়? সফলরা কি করে? কিভাবে তারা সফল হয় এসব নিয়ে ভাবতে গেলে সবার আগে যে নামটি আমাদের সামনে চলে আসে তিনি বিশ্বের সব থেকে সম্পদশালী মানুষ মাইক্রোসফটের কর্ণধার বিলগেটস। তার বাল্যকাল কেমন ছিল?তিনি কিভাবে শুরু করেছিলেন এবং তার শুরুটা কেমন ছিল তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি আবার অনেকে জানিনা।  এই বিখ্যাত মানুষটির মা তাকে কি বলতেন? আমাদের মত স্কুলে যেতে বলতেন?এ প্লাসের বন্যা বইয়ে দিতে বলতেন নাকি অন্য কিছু বলতেন? বিলগেটসের মা কি তাকে জোর করে গন্ডায় গন্ডায় হাউজ টিউটরের কাছে পড়াতেন নাকি নানা নামের কোচিং সেন্টারে পাঠাতেন? এমন কিছুই করতেন না। আমরা এখানে খুব অল্প কথায় বিলগেটস আর তার মায়ের স্মৃতিচারণ করছি।

বিল গেটসকে দেওয়া মায়ের তিনটি উপদেশ : পরীক্ষার ফলাফল শেষে শিশুটি মায়ের কোলে দৌড়ে গেল। মা প্রশ্ন করল, “তোর পরীক্ষার ফলাফল দিয়েছে বাবা?” ছেলেটি বলল, “হ্যঁা মা দিয়েছে। মা বলল, ” কত পেয়েছিস বাবা?” ছেলেটি বলল,”মা আমি শূন্য পেয়েছি। ” মা বলল,” আর কি কেউ শূন্য পেয়েছে?” ছেলেটি বলল, ” না, মা। ” মা তখন বলল, “দেখেছিস বাবা, তোর মতো নম্বর আর কেউ পাইনি।তুই ৮০ কিংবা ৯০ পেলেও আমি রাগ করতাম। কিন্তু তুই একেবারে শূন্য পেয়েছিস। আজ থেকে তুই মায়ের এই তিনটি উপদেশ মেনে চলবি: ১. প্রচুর বই পড়বি। নিজের পাঠ্য বইয়ের বাইরেও একটি বিশাল জগৎ গড়ে তুলবি। ২.সবসময় বড় বড় স্বপ্ন দেখবি। এমন এমন স্বপ্ন দেখবি যা অন্য কেউ চিন্তাও করতে পারবে না। ৩.এমন কাজ করবি যা কেউ করছে না। মানুষকে সবসময় স্বপ্ন দেখাবি। মায়ের এই তিনটি উপদেশ মেনে চললে কোন পরীক্ষায় কত পেয়েছিস সেটা কোন ব্যাপার না।সময়টা তখন ১৯৬৩ সালের কথা। এবং এই কথাগুলো ছিলো ৮ বছরের শিশু বিল গেটস কে দেওয়া মা মেরি বেকছিল গেটসের উপদেশ। —————— তাই কোন পরীক্ষায় খারাপ করলে আমরা ভেঙে না পড়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবো।তাহলে সাফল্য এমনিতেই ধরা দেবে।

তাই আসুন আমাদের ছোট্ট শিশু কিশোর কিশোরীদের উপর বইয়ের বোঝা চাপিয়ে না দিয়ে কোচিং প্রাইভেট হোমটিউটর আর এ প্লাসের যন্ত্রনা থেকে ওদের মুক্তি দিই এবং ওদের জন্য সুন্দর একটি আগামীর স্বপ্ন ওদের মনের মধ্যে বুনে দেই। ওরা ওদের মত করে বড় হোক এবং আমরা ওদেরকে অনুপ্রেরণা দেই বড় হওয়ার সুযোগ দেই।

 

লেখাঃ নাহিদ হাসান

বরিশাল ক্যাডেট কলেজ।


আরও পড়ুনঃ

ছোটদেরবন্ধুhttps://www.chotoderbondhu.com
সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখতে দেখতে জীবনের এক একটি দিন পার করা।সেই ধারাবাহিকতায় ছোটদেরবন্ধু গড়ে উঠছে তিল তিল করে।

Related Articles

শিক্ষা দুঃখ ও আশার মধ্যে সেতু বন্ধন স্বরূপ

শিক্ষার শুরু স্বাক্ষরতা দিয়ে অর্থাৎ সাক্ষরতা বলতে সাধারণত অক্ষর জ্ঞানসম্পন্নতাকেই বোঝায়।  সাক্ষরতা হচ্ছে পড়া, অনুধাবন করা, মৌখিকভাবে এবং লেখার বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা করা,...

সাইন্স বী: চলো ভিন্নরূপে বিজ্ঞান শিখি

আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান একটি ভীতির বিষয়। পুঁথিগত পাঠ্যবই এ গৎবাঁধা সিলেবাস এই ভীতির জন্য দায়ী, বললে ভুল হবে না। কিন্তু বিজ্ঞান কি শুধু পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ। না! বিজ্ঞান এর পরিধি কেউ বেষ্টনী দিয়ে আঁটকে রাখতে পারে না।

অদ্বিতীয়া রাজকন্যা সিমরিন লুবাবা

রুপকথার গল্পে তোমরা অনেকেই রাজকন্যা,রাজপুত্রর গল্প শুনে থাকবে। সেই রাজকন্যা আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু তোমাদেরকে আজকে আমরা এক সত্যিকারের রাজকন্যার কথা...

Stay Connected

20,691FansLike
2,367FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

শিক্ষা দুঃখ ও আশার মধ্যে সেতু বন্ধন স্বরূপ

শিক্ষার শুরু স্বাক্ষরতা দিয়ে অর্থাৎ সাক্ষরতা বলতে সাধারণত অক্ষর জ্ঞানসম্পন্নতাকেই বোঝায়।  সাক্ষরতা হচ্ছে পড়া, অনুধাবন করা, মৌখিকভাবে এবং লেখার বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা করা,...

সাইন্স বী: চলো ভিন্নরূপে বিজ্ঞান শিখি

আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান একটি ভীতির বিষয়। পুঁথিগত পাঠ্যবই এ গৎবাঁধা সিলেবাস এই ভীতির জন্য দায়ী, বললে ভুল হবে না। কিন্তু বিজ্ঞান কি শুধু পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ। না! বিজ্ঞান এর পরিধি কেউ বেষ্টনী দিয়ে আঁটকে রাখতে পারে না।

অদ্বিতীয়া রাজকন্যা সিমরিন লুবাবা

রুপকথার গল্পে তোমরা অনেকেই রাজকন্যা,রাজপুত্রর গল্প শুনে থাকবে। সেই রাজকন্যা আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু তোমাদেরকে আজকে আমরা এক সত্যিকারের রাজকন্যার কথা...

বোকা মানুষ ও পৃথিবী

দুটি অদ্ভুত প্রাণী মহাশূন্যে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে।দেখতেও বেশ ভয়ংকরই।ওরা তো পৃথিবীর কেউ নয়।নিশ্চই মহাশূন্যে আমাদের কল্পনার চেয়েও মিলিয়ন,বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে ওরা এসেছে।শরীরে তাকালে প্রায় ...

শিশুতোষ চলচ্চিত্রঃ ফাইন্ডিং ডোরি

ডরি,একটি ছোট্ট সুন্দরী নীল মৎস্য। যার কি না ভুলে যাওয়া ব্যামো আছে। কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না। তাই তার পিতা-মাতা অনেক চিন্তিত তার এই রোগ নিয়ে। একসময় ডরি হারিয়ে যায় তার পিতা-মাতা থেকে।