শিশুতোষ চলচ্চিত্র 

লোডশেডিং

টুপুরের বয়স তখন মাত্র সতের দিন আর ওর এক মাত্র ভাই টিকলুর বয়স আড়াই বছর।এমন একটি দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় আকাশের ওপারে চলে যায় ওদের বাবা মা।ছোট্ট টুপুরকে বুকে জড়িয়ে হয়তো খুব করে কাদে তার ভাই।পরিবারের সবাই ওদের দুই ভাই বোনকে খুব ভালবেসে বড় করতে থাকে।ভাই বোনের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব।যেন একে অন্যের সম্পুরক। টিকলু দুষ্টু হাড়ে হাড়ে।তার চাঞ্চল্য,তার বাকপটুতা সবাইকেই মুগ্ধ করে।এক বিকেলে গলির মোড়ে ক্রিকেট খেলতে গিয়ে টিকলু আউট হয়ে গেলে সে নিজের ব্যাট থাকার কারণে আউট অস্বীকার করে।যখন বন্ধুদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল ঠিক তখন একটা ট্যাক্সি এসে থামে…

114,879 total views, 6 views today

বিস্তারিত পড়ুন
শিশুতোষ চলচ্চিত্র 

গল্পটা মানহার : একজন ভাগ্যবতী শিশুর স্বল্প দৈর্য্য উপাখ্যান

লেখাঃ মু.দেলোয়ার হুসাইন —— হরেক রকম  নাগরিক সমস্যা আর যন্ত্রণাক্লিষ্ট  মেগাসিটি  ঢাকা ।  অতিরিক্ত জনসংখ্যায় জর্জরিত এই শহরে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে  নানামাত্রিক  অপরাধ।  পত্রিকার পাতায় আমরা প্রায় দেখি হারানো বিজ্ঞপ্তি । যাদের বেশিরভাগই  শিশু। আর কিডন্যাপ হওয়া বা হরিয়ে যাওয়া  এই শিশুদের দিয়েই একটি মহল গড়ে তুলে অপরাধের রাজত্ব । ঢাকা শহরে যত্রতত্র ভিক্ষুক। হরহামেশায় শিশু চুরি হচ্ছে, তারা কোথায় যাচ্ছে! কী তাদের ভবিষ্যৎ! এমনই সামাজিক সমস্যাকে সামনে তুলে আনতে শুরু হলো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গল্পটা মানহার’। তেমনি চুরি হয়ে যাওয়া একটি শিশুর নাম মানহা । বাবার একটু অসচেতনতার ফলে চুরি…

20,751 total views, no views today

বিস্তারিত পড়ুন
শিশুতোষ চলচ্চিত্র 

দ্য বুক অব হেনরি

হেনরীর মা একটি রেস্তোরায় কাজ করে।হেনরি তার ছোটভাইকে দেখে রাখে একসাথে স্কুলে নিয়ে যায়।হেনরির বয়স ১২ বছর।কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো তার মা তার সাথে পরামর্শ করা ছাড়া কোন কিছুই করেনা।সবাই অবাক হয়ে ভাবে কী আশ্চর্য তুমি পরামর্শ নিতে চাইছো তোমার ১২ বছর বয়সী ছেলের কাছে! কিন্তু হেনরির মা জানে হেনরি ছোট হলেও অত্যন্ত মেধাবী এবং বড়দের চেয়েও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বুদ্ধিদীপ্ত। হেনরির বাবা নেই।সিনেমায় দেখা যাবে হেনরি খুব ছবি আকা আর বৈজ্ঞানিক গবেষণা করতে ভালোবাসে।সে ফার্ম হাউসে বসে তার ভাইকে নিয়ে কত কিছু বানায় আর নিয়মিত ডায়েরি লেখে।মূলত এই ডায়েরিটাকে ঘিরেই…

4,784 total views, 2 views today

বিস্তারিত পড়ুন