গল্প 

টেরোরিষ্ট

লেখাঃ জাজাফী ওয়াশিংটন ডিসির ব্যস্ত রাস্তার ফুটপাত ধরে অনেক মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যের পথে অবিরাম হেটে চলেছে।সবাই ভীষণ ব্যস্ত।বলতে গেলে তখনো শহরের ঘুম ভাঙ্গেনি অথচ মানুষ ছুটছে তার কর্মস্থলে।সে জন্যই বলা হয়ে থাকে নিউইয়র্ক আর ওয়াশিংটন শহর কখনো ঘুমায় না।পথে যেতে যেতেই হয়তো কেউ কেউ সেরে নিচ্ছে জরুরী যোগাযোগ।অনেকে কানে মোবাইল ধরে কথা বলছে আর হাটছে।কেউ কেউ প্রাতরাশ সেরে বাসায় ফিরছে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনতে শুনতে।সেই সব পথচারিদের মধ্যে শেহজাদও আছে।শেহজাদ হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটিতে পোষ্টগ্রাজুয়েট করছে।ওয়াশিংটন ডিসিতে মেরিডিয়ান হিল পার্ক নামে যে পার্কটি আছে রোজ সকালে অন্য অনেকের মত শেহজাদও…

5,943 total views, 10 views today

বিস্তারিত পড়ুন
সাহিত্য 

রাতুলের ইচ্ছে পূরণ

লেখাঃ লতা হামিদ – খুব শীত পড়েছে।রাতুল লেপের মধ্যে বসে কম্পিউটারে গেমস খেলছে।গেমস খেলতে গিয়ে প্রায়ই রাত শেষ হয়ে যায়।এখন ভোর হয়ে এসেছে।কম্পিউটার বন্ধ করে বিছানা থেকে নামলো।কাঁচের মধ্যে দিয়ে দেখলো বাইরে কুয়াশা। কী মনে করে স্লাইডিং ডোর ঠেলে বাইরে বারান্দায় এলো। আহ ঠান্ডা!শিশির পড়ে শিক গুলো ভিজে গিয়েছে।পূর্ব আকাশে আলোর রং দেখা যাচ্ছে।পাখিরা কিচিরমিচির করে ভোরের আগমন বার্তা জানাচ্ছে। এতো সকাল রাতুল কখনো দেখেনি।সে তো গেমস খেলে এ সময় ঘুমাতে যায়।চারিদিকে চুপচাপ শান্ত।আস্তে আস্তে যেন প্রকৃতি জেগে উঠছে।রাতুল মুগ্ধ।ঠিক করলো এর পর থেকে সকাল হওয়া দেখবে। ও এখন ঘুমাতে…

2,207 total views, no views today

বিস্তারিত পড়ুন
ছোটদের লেখালেখি সাহিত্য 

অর্পি ও তার ঈদের লাল জামা

লেখাঃ মুনতাসির সিয়াম– অর্পির ভীষণ মন খারাপ। ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি। অথচ ভাইয়া এবার ঈদে আসতে পারবে কিনা ঠিক নেই। ট্রেনে, বাসে সব জায়গাতেই নাকি টিকিটের লাইনে খুব ভিড়। ব্যস্ত ঢাকা শহর থেকে দুদিনের জন্য একটু শান্তির খোঁজে সবাই ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসতে চায়। দীর্ঘ দুই দিন ভাইয়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশনে টিকিটের লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও শেষে টিকিট না পেয়ে ফিরে এসেছে। তারপর বাস কাউন্টারে গিয়েও যখন দেখেছে টিকিট পাওয়ার সম্ভবনা নেই, তখন ভাইয়া বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছে এবার আর তার ঈদে গ্রামে আসা হচ্ছে না। যার জন্য…

বিস্তারিত পড়ুন
ছোটদের লেখালেখি সাহিত্য 

সবার জন্য ঈদ

লেখাঃ সুমাইয়া মিফরা— সামিনের হাতে অনেক গুলো টাকা দেখে ঐশী বেশ অবাক হলো।আব্বু আম্মু নিশ্চই সামিনকে এতো গুলো টাকা দিবে না।সামিন ক্লাস ফাইভে পড়ে।বাবা মায়ের টাকার অভাব না থাকলেও এতো ছোট মানুষকে একশো দুইশো টাকার বেশি কোন বাবা মাই দেয়না।ঐশী নিজের একমাত্র ভাইয়ের পাশে গিয়ে বসলো।সামিনের সেদিকে খেয়ালই নেই।সে সমানে টাকা গুনে চলেছে আর ঐশী ওর হাতের দিকে তাকিয়ে আছে।গুনে গুনে বিশ হাজার টাকা!আচ্ছা টাকা গুলোকি তবে আম্মুই ওকে গোনার জন্য দিয়েছে?সামিনতো কদিন হলো বিশের ঘরের নামতাও শিখেছে।ঐশী জানতে চাইলো তোমার কাছে এতো টাকা কেন?কার টাকা?সামিন বললো সব আমার টাকা?আমার…

বিস্তারিত পড়ুন