কিশোর কিশোরী সংবাদ ছোটদের লেখালেখি ফিচার 

আমি শুধু তাকিয়ে দেখলাম, সংসারের বোঝা কাঁধে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে একটি শিশু!

আমি তাকে বলি, – ভিক্ষা করো না, পড়াশোনা কর। সে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকায়, – পড়াশোনা করলে কি ভাত পাওয়া যায়? আমি বলি, – হ্যা, তুমি আমাদের কাছে পড়তে এসো। আমরা প্রতিদিন দুপুরে ভাত খাওয়াই। – কতোক্ষণ পড়াইবেন? – দুই ঘন্টা। সে মনে মনে হিসাব করে, তারপর বলে, – দুই ঘন্টা ম্যালা সময়, পুষবো না। ট্যাকা কম হইলে মায়ে রাগ করব। – আমরা তোমাকে প্রতি মাসে টাকাও দেব। তোমার মা কে বলো, কেমন? – কতো ট্যাকা দিবেন? দর কষাকষি তে আমি তখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছি, তবু ধৈর্য্য ধরে বললাম,…

3,883 total views, 3 views today

বিস্তারিত পড়ুন
গল্প ছোটদের লেখালেখি 

আমার খুব মনে চায় হ্যারার মতোন বল দিয়া খেলি।

ঘোর অন্ধকার। বাইরে ঝম ঝম বৃষ্টি। শীতল বাতাসে ৩০০০ স্কয়ার ফিট বাসাটিতে সবাই আরাম করে ঘুমাচ্ছে। শুধু জেগে আছে তানিয়া নামের এক কিশোরী। জানালা ধরে   দাড়িয়ে বর্ষণের স্নিগ্ধতায় আনমনা চোখে সে মুগ্ধতা কুড়াচ্ছে! মনে মনে ভাবছে, “ইশ! যদি টিনের ঘরে বৃষ্টি উপভোগ করতে পারতাম! টিনের চালে বৃষ্টির কথা কতো কাব্যে, উপন্যাসে পড়েছি। যদি সত্যি সত্যি টিনের ঝম ঝম শব্দে নিজেকে রাঙাতে পারতাম, তাহলে কতোই না ভালো হতো!” ঘুম পালানো বর্ষণের মুগ্ধতায় কিশোরী মন আরো চঞ্চল হয়ে ওঠে। ইচ্ছা করে উপন্যাসের মতো কফির মগ হাতে নিয়ে ছাদে ছুটে যেতে! চিৎকার করে…

2,411 total views, 4 views today

বিস্তারিত পড়ুন
কিশোর কিশোরী সংবাদ ছোট থেকেই যারা বিখ্যাত ছোটদের লেখালেখি বইয়ের দুনিয়া স্কুলের তারকা 

বাংলাদেশের সব থেকে ক্ষুদে লেখক অলীন বাসার ও তার বই ভুতের টিউশনী

এখনতো পড়াশোনার অনেক চাপ তাই বাধ্য হয়েই স্কুলের পর টিচারের কাছে পড়তে হয়।কিন্তু ভেবে দেখোতো যদি তোমার সেই টিচার মানুষ না হয়ে একজন ভূত হয় তাহলে কি অবস্থা হবে? কিংবা ধরো তুমি নিজেই নিজে টিচার হয়ে পড়াতে গেলে এবং গিয়ে দেখলে তোমার ছাত্র বা ছাত্রী আসলে মানুষ নয় বরং ভূতের বাচ্চা! তোমার তখন কি অবস্থা হবে? আজ কেন এতো ভূত নিয়ে কথা বলছি? তার কারণ “ভুতের টিউশনী” নামে একুশে বইমেলায় নতুন একটি বই এসেছে আর বইটি কে লিখেছে জানো? বাংলাদেশের সবথেকে ক্ষুদে লেখক অলীন বাসার যার বয়স মাত্র আট বছর!…

13,906 total views, 3 views today

বিস্তারিত পড়ুন
ছোট থেকেই যারা বিখ্যাত ছোটদের লেখালেখি স্কুলের তারকা 

ক্ষুদে লেখক রাশিকের মিস্ট্রি অব দ্য সুপার ন্যাচারালস

লেখাঃ উজ্জ্বল দাশ,লন্ডন,যুক্তরাজ্য – ক্ষুদে লেখক রাশিকের মিস্ট্রি অব দ্য সুপার ন্যাচারালস বইটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।বিশ্বকে নানা অপশক্তির হাত থেকে রক্ষা করতে মরিয়া ব্রিটিশ বাংলাদেশি কিশোর মীর রাশীক আহনাফ। বহু বছর আগেকার কথা, পৃথিবীটাকে নিয়ন্ত্রণ করত দুর্দান্ত প্রতাপশালী এক অশুভ শক্তিচক্র। প্রতিনিয়ত ধ্বংসের মুখোমুখি ধরণিকে নিজের বুদ্ধিমত্তার জোরে টিকিয়ে রাখার নিরন্তর চেষ্টায় শেষতক সফল কিশোর লেখক রাশীক। কল্পনাপ্রসূত রহস্যময় প্রথম গল্পেই পাঠকের মন কেড়েছে এই খুদে লিখিয়ে। আট বছর বয়সে স্কুলের পত্রিকায় ছাপা হওয়া কবিতা দিয়ে রাশীকের শুরুটা হয়েছিল ঠিক; তবে মায়ের সঙ্গে স্কুলের লম্বা ছুটি কাটাতে গিয়ে অনেকটা খেয়ালি…

6,436 total views, 1 views today

বিস্তারিত পড়ুন
ছোটদের লেখালেখি নোটিশবোর্ড স্কুলের সংবাদ 

স্কুল প্রতিনিধি

প্রিয় বন্ধুরা,প্রথম বারের মত বাংলাদেশে তোমাদের যে কোন বয়সীর জন্য স্কুল প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিক হওয়ার সুযোগ নিয়ে এসেছে ছোটদেরবন্ধু।এই অনলাইন পোর্টালটি মুলত তোমাদের সবার।তুমি তোমার স্কুলের যে কোন সংবাদ আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিতে পারো।তোমার নাম ঠিকানা ছবি সহ তা আমরা ছাপাতে চাই।মনে করো তোমার স্কুলে কোন অনুষ্ঠান হবে তুমি চাইলে সেই অনুষ্ঠানের সংবাদ দিতে পারো।তোমার বন্ধুরা তখন ঘরে বসেই তোমার দেওয়া সংবাদ পড়তে পারবে। স্কুলে পরীক্ষার নোটিশ দিয়েছে? তুমি চাইলে তোমার স্কুলের পরীক্ষার নোটিশও আমাদের এখানে পাঠিয়ে দিতো পারো।ফলে খুব সহজেই বন্ধুরা বড় ভাই বোন সবাই ঘরে বসেই তোমার স্কুলের…

বিস্তারিত পড়ুন
ছোটদের লেখালেখি সাহিত্য 

অর্পি ও তার ঈদের লাল জামা

লেখাঃ মুনতাসির সিয়াম– অর্পির ভীষণ মন খারাপ। ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি। অথচ ভাইয়া এবার ঈদে আসতে পারবে কিনা ঠিক নেই। ট্রেনে, বাসে সব জায়গাতেই নাকি টিকিটের লাইনে খুব ভিড়। ব্যস্ত ঢাকা শহর থেকে দুদিনের জন্য একটু শান্তির খোঁজে সবাই ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসতে চায়। দীর্ঘ দুই দিন ভাইয়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশনে টিকিটের লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও শেষে টিকিট না পেয়ে ফিরে এসেছে। তারপর বাস কাউন্টারে গিয়েও যখন দেখেছে টিকিট পাওয়ার সম্ভবনা নেই, তখন ভাইয়া বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছে এবার আর তার ঈদে গ্রামে আসা হচ্ছে না। যার জন্য…

বিস্তারিত পড়ুন
ছোটদের লেখালেখি সাহিত্য 

সবার জন্য ঈদ

লেখাঃ সুমাইয়া মিফরা— সামিনের হাতে অনেক গুলো টাকা দেখে ঐশী বেশ অবাক হলো।আব্বু আম্মু নিশ্চই সামিনকে এতো গুলো টাকা দিবে না।সামিন ক্লাস ফাইভে পড়ে।বাবা মায়ের টাকার অভাব না থাকলেও এতো ছোট মানুষকে একশো দুইশো টাকার বেশি কোন বাবা মাই দেয়না।ঐশী নিজের একমাত্র ভাইয়ের পাশে গিয়ে বসলো।সামিনের সেদিকে খেয়ালই নেই।সে সমানে টাকা গুনে চলেছে আর ঐশী ওর হাতের দিকে তাকিয়ে আছে।গুনে গুনে বিশ হাজার টাকা!আচ্ছা টাকা গুলোকি তবে আম্মুই ওকে গোনার জন্য দিয়েছে?সামিনতো কদিন হলো বিশের ঘরের নামতাও শিখেছে।ঐশী জানতে চাইলো তোমার কাছে এতো টাকা কেন?কার টাকা?সামিন বললো সব আমার টাকা?আমার…

বিস্তারিত পড়ুন