অন্যান্য 

আলোর ধারার ইফতার আয়োজনে বিন্দু ফাউন্ডেশন

মাহে রমযান। সিয়াম, সাধনা ও শান্তির মাস। শরীর ও মন কে পবিত্র করার অন্যতম মাস। এই মাসে ইবাদত এর পাশাপাশি গরীব অসহায়দের কষ্ট আমরা উপলব্ধি করতে পারি। পরিবার, আত্মীয় নিয়ে আল্লাহর রহমতে আমরা ভালো আছি। সেহেরি ও ইফতার এ উপভোগ করতে পারি মজাদার খাবার। কিন্তু আমাদের মাঝে এরকম অনেক পরিবার রয়েছে যারা ঠিকমতো সেহরি ও করতে পারেনা। কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এ সকল পরিবারকে সাহায্য করা সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা চাইলেই পারি একদিন তাদের পরিবার কে বা পরিবারের ছোট বাচ্চাদের তৃপ্তিদায়ক ইফতার উপহার দিতে।  এসকল ভাবনা থেকে বিন্দু ফাউন্ডেশনের সদস্য আলামিন ভাইয়ের…

3,797 total views, no views today

বিস্তারিত পড়ুন

ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর-১

তাহফিমুল তানভীর রাহিব। দিনাজপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্র।  পড়াশুনার বাইরে ভালোবাসি বিতর্ক করতে, ভালোবাসি গল্পের বই পড়তে ।  এছাড়াও নানারকম সামাজিক কাজেও আগ্রহ বোধ করি। বিতর্কটা অনেকটা প্রোফেশনাল ভাবেই করি।। আমি দিনাজপুর ডিবেটিং সোসাইটির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি,  এবং বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি ।  ছোটদের বন্ধুর সাথে ভবিষ্যৎ এ কাজ করতে চাই।  কাজ করতে চাই, ছোটদের জন্যে!  আমি নূরজাহান আক্তার। হলি ক্রস কলেজ এর একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। গল্পের বই পড়তে, ছবি আঁকতে, ঘুরতে ভালোবাসি। আমি একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে দেখতে চাই। অসহায়দের পাশে দাড়াতে চাই। ছোটরা আমার খুব প্রিয়। তাই “ছোটদের…

বিস্তারিত পড়ুন
আর্য মেঘদূত অন্যান্য 

আর্য মেঘদূত

আর্য মেঘদূত বাংলাদেশী শিশু শিল্পী,আকিয়ে।মঞ্চে দারুণ অভিনয় দক্ষতা দেখিয়ে দর্শকের মন জয় করে নিয়েছে।সম্ভবত খুব কম পরিবার আছে আর্য মেঘদূতের পরিবারের মত কেননা এই পরিবারের তিনজন সদস্যই মঞ্চে অভিনয় করেন।তিনজনের বাকি দুজন আর্য মেঘদূতের বাবা নাট্যকার,কবি অভিনেতা আসাদুল ইসলাম এবং মা অভিনেত্রী সোনিয়া হাসান। অভিনয় জীবনে তার সব থেকে সেরা কর্ম “নদ্দিউ নতিম“। অভিনয়ের পাশাপাশি মেঘদূত উপস্থাপনার কাজও করে থাকে। ২০১৯ সালের ২৫ এবং ২৬ জানুয়ারি ঢাকার কলাবাগন মাঠে “ফার্ম ফ্রেশ চিলড্রেন্স ডে” তে মেঘদূত উপস্থাপনা করছে।তার মুখের মিষ্টি হাসি এবং সুন্দর ও নান্দনিক উচ্চারণ উপস্থিত দর্শকদের বিমোহিত করে রাখে।…

2,535 total views, no views today

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য 

কেন কৃষি নিয়ে পড়বো??

লেখকঃ ইমতিয়াজ আহমেদ মাশুক আমি যখন ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেয়ে সব দামী সাবজেক্ট ছেড়ে দিয়ে তথাকথিত “সাধারণ” সাবজেক্ট কৃষি তে ভর্তি হই, অনেকে চোখ মুখ কুচকিয়ে তাকিয়ে ছিল আমার দিকে, “কি ছেলে রে বাবা! মাইক্রো- বায়োলজি ছেড়ে দিয়ে কৃষি তে ভর্তি হয়েছে। বাবা – কোনোদিন জমিতে – ক্ষেতে নামেও নাই আর এই ছেলে হতে যাচ্ছে চাষা!” . কোনো রিপ্লাই দেই নি। দেয়ার প্রয়োজন হয় নি। উত্তর টা কিছুদিন পর তারা জেনে যাবে ইন শা আল্লাহ। . অনেকেই ভাবে, কৃষি বিষয় টা বুঝি ক্লাস সেভেন এইটে পড়া সাধারণ কৃষিই! ভুল ধারণা…

5,589 total views, no views today

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য 

তাদের সংসারে আমাদের কোন ঠাই নাই, আমাদের আল্লাহ্ আছেন

কাল রাত ১০ টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর দয়াগঞ্জে অবস্থিত ইবনে সিনা হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়ে বাসায় যাওয়ার জন্য রিক্সা খুঁজছিলাম, তো বেশ কয়েকজনকে অফার করলাম আমার নির্দিষ্ট জায়গায় যাওয়ার জন্য, কিন্তু কাছে হওয়াতে কেওই রাজি হলোনা। হটাৎ একটা রিক্সার দিকে নজর গেল, দেখলাম ড্রাইভার নাই, একজন অতি বৃদ্ধলোক রিক্সা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন, উনার কাছে প্রশ্ন করলাম,, চাচা এই রিক্সার ড্রাইভার কোথায় বলতে পারেন? উনি অনেকটা ছোট বাচ্চাদের মত আদো আদো কন্ঠে বললেন, “”বাবা আমিই ড্রাইভার(!!) কোথায় যাবেন বলুন নামিয়ে দিয়ে আসি,(জায়গার নাম বলতেই) তবে হ্যা,ভাড়া ৫ টাকা বেশি দিতে হবে, আর…

3,127 total views, no views today

বিস্তারিত পড়ুন

মাদক এবং পথশিশু

লেখকঃ কানিজ ফাতেমা জাবিন ১২ বছরে ছেলে রাব্বি।তাকে সচারাচর দেখা যায় বেইলী রোড, রমনা আর এর আশে পাশের এলাকায়। পেশা বলতে ভিক্ষা। মাত্র ১২ বছর বয়সেই সে গাজা, সিগারেটসহ আর ও নানা নেশায় জড়িয়ে পড়েছে। শুধু রাব্বি না ।আমাদের দেশে রাব্বির মত সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু আছে প্রায় সাড়ে এগারো লাখ, এর মধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিশুই মাদকে আসক্ত। শতকরায় হিসেব করলে দেখা যবে প্রতি ১০০ জন পথশিশুর মধ্যে ৮৫ জন ই কোন না কোন ভাবে মাদকসেবী। ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাজা, সিগারেট এর মত মাদক দ্রব্যের পাশাপাশি বিশেষ করে পথশিশুরা আরেক ধরনের…

বিস্তারিত পড়ুন

আমাদের সন্তানকে ভাল মানুষ করে তুলবো নাকি কেবল উচ্চ শিক্ষিত?

আমাদের সন্তানকে ভাল মানুষ করে তুলবো নাকি কেবল উচ্চ শিক্ষিত? লেখা- সাজিদ মাহমুদ সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেনা এমন অভিভাবক খুব কমই আছে এই ব্রহ্মাণ্ডে। আমরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকি এই ভেবে যে, সন্তান বড় হয়ে কি করবে? এর জন্য শিশুটির যখন ৪ অথবা ৫ বছর বয়স হয় তখনই ভর্তী করে দেই স্কুলে। সেটা হয়তো ইংরেজি মাধ্যম কিংবা বাংলা মাধ্যম। দেশের অধিকাংশ অভিভাবকই চান তাদের ছেলে কিংবা মেয়েটি ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার/পাইলট/জজ/ব্যারিস্টার/আমলা ইত্যাদি হোক। কিন্তু কখনোকি বলি? বা বললেও সেটা কয়জন? আমরা আমাদের সন্তানকে ভাল মানুষ বানাতে চাই। যে বড় হয়ে তার…

2,332 total views, no views today

বিস্তারিত পড়ুন